ভোরের আলো বিডি ডেস্ক ঃ
ভোরের আলো সাহিত্য আসরের ১২৯৭তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ৬মার্চ, শুক্রবার, সকাল ১০টায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানা মার্কেটস্থ মডার্ণ ডেন্টাল হলে এই সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ছড়া,কবিতা,গান ও প্রকাশিত বইয়ের ওপর আলোচনার মধ্যি দিয়ে এ অনুষ্ঠানটি ২ঘন্টা চলমান থাকে। পাশাপাশি একজন নতুন দায়িত্বশীলকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে তাকে বরন করে নেয়া হয়। আলোচনা হয় সামনে পালন করতে ইফতার কর্মসূচিকে নিয়েও।
সাহিত্য আসরের প্রতিষ্ঠাতা মো: রেজাউল হাবিব রেজার সঞ্চালনায়
এতে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ব্যাংকার ভোরের আলো সাহিত্য আসরের সহ-সভাপতি বিমল চন্দ্র ভৌমিক।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভোরের আলো সাহিত্য আসরের প্রধান উপদেষ্টা বিআরডিবির উপপরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান ভুঁইয়া।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভোরের আলো সাহিত্য আসরের সমন্বয়ক জ্ঞানতীর্থ গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আলমগীর অলিক।
প্রবীন সাহিত্যিক ও গীতিকার মো:মোখলেছুর রহমান আকন্দ।
নন্দিত ছড়াকার ও আলোচক মলং আলীমুর রাজী রাজীব।
জ্বলতে জ্বলতে পুড়তে পুড়তে বইয়ের লেখক ও সাহিত্য আসরের আইন এবং শৃঙ্খলাবিষয়ক সম্পাদক কবি হীরন আকন্দ।
ভোরের আলো সাহিত্য আসরের সদ্য নির্বাচিত প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আরিয়ান ফার্সী রৌশন।
বিশিষ্ট লেখক জিয়াউল হক বাতেন ও শিশু মালালা হক।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক কর্মী আনোয়ারা বেগমও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষের দিকে হাজির হন সাহিত্য আসর কার্যালয়ের স্থানদাতা ডা: হিরা মিয়া ও ভোরের আলো নারী অংশের সভানেত্রী সূবর্ণা দেবনাথ প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে ভোরের আলো সাহিত্য আসরের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে তরুন ও উদ্যমী সংগঠক, সাহিত্যচিত্র পরিকল্পক আরিয়ান ফারসী রৌশনের নাম ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি এবং তাকে অভিনন্দন জানিয়ে পুষ্পমাল্য গলায় পড়িয়ে দেন। অতঃপর আরিয়ান ফারসী তার দায়িত্বপ্রাপ্তির বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় সবাইকে আশ্বস্থ করেন যে, তার দায়িত্ব সঠিকমতে পালন করবে এবং আশা জগানিয়ার মতো সাহিত্য আসর সবখানে ছড়িয়ে দেবে। তার এ বক্তব্যকে করতালির মাধ্যমে কবি-সাহিত্যিকরা স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানের সভাপতি বিমল চন্দ্র ভৌমিক তার বক্তব্যে সাম্রাজ্যবাদ মার্কিন রাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক আগ্রাসনের সমালোচনা করেন। একই সাথে ইরানে নির্বিচারে হত্যাকান্ডের নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেনঃ একটিমাত্র রাষ্ট্র ইসরায়েল আজ তামাম মুসলিম রাষ্ট্রকে নাকানী,-চুবানী খাওয়াচ্ছে শুধু মুসলমানদের ঐক্য না থাকার কারণে। পরিশেষে সকলকে তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে পরবর্তী অনুষ্ঠানে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।












Leave a Reply