সুরের বাঁধনে বিশ্ব: আজ বিশ্ব সংগীত দিবস রিপোর্টার: মোঃরেজাউল হাবিব রেজা আজ ২১ জুন, ২০২৬(রবিবার)। সংগীতের সুর কোনো সীমানা মানে না, মানে না কোনো ভাষা বা ধর্মের ভেদাভেদ। হৃদয়ের সেই চিরন্তন সুরের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ‘বিশ্ব সংগীত দিবস’। প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশে এবং সারা বিশ্বে নানা আয়োজনে মেতেছেন সংগীতপ্রেমীরা। এই দিবসের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৮২ সালে ফ্রান্সে। ফরাসি মন্ত্রী জ্যাক ল্যাং এবং সুরকার মরিস ফ্লুরেটের উদ্যোগে ‘ফেত দ্য লা মিউজিক’ বা ‘সংগীত উৎসব’ নামে এটি প্রথম শুরু হয়। উদ্দেশ্য ছিল একটাই—সব পেশাদার ও অপেশাদার শিল্পী যেন রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের জন্য গান করে । সবাই যেন উৎফুল্ল হয়। গানেও যেন বিশ্ব কোনো নির্দেশনা পায়। শান্তির পৃথিবী গড়তে গানও যেন ভুমিকা রাখে। তাই ২০২৬ সালে এসে এই উৎসব এখন বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ডিজিটাল যুগে এসে সংগীতের ধারায় এসেছে বড় পরিবর্তন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর ছোঁয়া এখন সংগীতেও স্পষ্ট। তবে যান্ত্রিকতার এই যুগেও মানুষের কণ্ঠের লাইভ পারফরম্যান্স এবং মাটির গানের আবেদন এতটুকু কমেনি। বাংলাদেশে আজ ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এবং শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন স্থানে বসেছে গানের আসর। তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবীণ শিল্পীরা মেতে উঠেছেন সুরের মূর্ছনায়। গানকে আমরা কীভাবে গ্রহণ করছি তা-ও নিয়ে ভাবতে হবে আমাদের। গান মানুষের মনকে শান্ত করে। যুদ্ধ-বিগ্রহের এই পৃথিবীতে সংগীতই পারে সবাইকে এক সুতোয় বাঁধতে। সংগীত শুধু বিনোদন নয়, এটি মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং প্রতিবাদের ভাষাতেও অনবদ্য ভূমিকা রাখছে। সব ক্লান্তি ভুলে আজ বিশ্ব মেতেছে সুরের আনন্দে।

 সম্পাদকীয়ঃ

আজ ২১ জুন, ২০২৬(রবিবার)। সংগীতের সুর কোনো সীমানা মানে না, মানে না কোনো ভাষা বা ধর্মের ভেদাভেদ। হৃদয়ের সেই চিরন্তন সুরের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ‘বিশ্ব সংগীত দিবস’। প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশে এবং সারা বিশ্বে নানা আয়োজনে মেতেছেন সংগীতপ্রেমীরা।

এই দিবসের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৮২ সালে ফ্রান্সে। ফরাসি মন্ত্রী জ্যাক ল্যাং এবং সুরকার মরিস ফ্লুরেটের উদ্যোগে ‘ফেত দ্য লা মিউজিক’ বা ‘সংগীত উৎসব’ নামে এটি প্রথম শুরু হয়। উদ্দেশ্য ছিল একটাই—সব পেশাদার ও অপেশাদার শিল্পী যেন রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের জন্য গান করে । সবাই যেন উৎফুল্ল হয়। গানেও যেন বিশ্ব কোনো নির্দেশনা পায়। শান্তির পৃথিবী গড়তে গানও যেন ভুমিকা রাখে। তাই ২০২৬ সালে এসে এই উৎসব এখন বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
ডিজিটাল যুগে এসে সংগীতের ধারায় এসেছে বড় পরিবর্তন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর ছোঁয়া এখন সংগীতেও স্পষ্ট। তবে যান্ত্রিকতার এই যুগেও মানুষের কণ্ঠের লাইভ পারফরম্যান্স এবং মাটির গানের আবেদন এতটুকু কমেনি। বাংলাদেশে আজ ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এবং শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন স্থানে বসেছে গানের আসর। তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবীণ শিল্পীরা মেতে উঠেছেন সুরের মূর্ছনায়।
গানকে আমরা কীভাবে গ্রহণ করছি তা-ও নিয়ে ভাবতে হবে আমাদের। গান মানুষের মনকে শান্ত করে। যুদ্ধ-বিগ্রহের এই পৃথিবীতে সংগীতই পারে সবাইকে এক সুতোয় বাঁধতে। সংগীত শুধু বিনোদন নয়, এটি মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং প্রতিবাদের ভাষাতেও অনবদ্য ভূমিকা রাখছে। সব ক্লান্তি ভুলে আজ বিশ্ব মেতেছে সুরের আনন্দে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *